- Home
- Blog Posts
- Live and Podcasts
- Contribute
- Study
- About & Contact
Subscribe to Updates
Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.
Author: Mufti Masud
মুফতি মাসুদ একজন প্রাক্তন ইমাম এবং ইসলামী পণ্ডিত, যিনি এখন মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের একজন সোচ্চার কণ্ঠস্বর। ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করা মুফতি মাসুদ নারী অধিকার, এলজিবিটিকিউ অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নিবেদিত। তিনি তাঁর লেখালেখির মাধ্যমে প্রান্তিক কণ্ঠস্বরকে ক্ষমতাশালী করতে চান।
আবদুল্লাহ আল মাসুদ মানবতাবাদী মোহাম্মদ! আমরা সকলে জানি, রাহমাতাল্লিল আলামীন ছিলেন চরম মানবতাবাদী। তার দিল ছিলো মারাত্মক কোমল ও পরিষ্কার! আল্লাহর চাপে পড়ে তিনি এমন অনেক কাজ করেছেন যা তিনি কখনো করতে চাননি। আসুন দয়ার নবীর এমন কিছু কষ্টদায়ক কাজের কষ্টের ভাগিদার আমরাও হই – (১) শিশুকাম : দয়ার নবী কখনো চাইছিলেন না শৈশব হতে চাচা ডেকে আসা শিশু আয়েশাকে বিছানায় নিতে, কিন্তু আল্লাহ তাঁকে স্বপ্নযোগে আয়েশাকে বিয়ে করার আদেশ করার কারণে একান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি আয়েশাকে নিকাহ করেন। বলা হয়ে থাকে, আয়েশাকে বিয়ের রাতে তিনি প্রচুর কেঁদেছিলেন। শিশুর সাথে সহবতের হুকুম দেয়ার কারণে আল্লাহর সাথে অভিমানও করেছিলেন! শোনা যায়,…
A lost notice: Abdullah Al Masud, son of the Imam of Hazaribagh NabipurJame Masjid (Mosque) has gone missing. He studies at Hazaribagh Battala Madrasa. The boy is ten years old. His complexion is fair. If any kind hearted person finds him, it is humbly requested to deliver him to Hazaribagh Nabipur Jame Masjid. The announcement mentioned above is dated 1993. The announcement was broadcast from the microphones of Nabipur Jame Masjid (the mosque where my father was the Imam) and surrounding mosques. This was after my first escape from the Madrasa. After that I ran away from the Madrasa many…
ভূমিকা: রাজনীতি যখন বিশ্বাসকে হাতিয়ার বানায় তখন সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য দেখানো খুব সহজ হয়ে যায়। বাংলাদেশের বেলায় এমনটাই ঘটেছে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর জাতির পিতা হওয়ার খায়েশ থেকেই জন্ম হয়েছে দ্বিজাতিতত্ত্বের এবং সৃষ্টি হয়েছে একটি ধর্মভিত্তিক দেশ – পাকিস্তান। নিচে আমি বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতির উত্থানের ইতিহাস, প্রভাব এবং আমাদের জন্য করনীয় নিয়ে আলোকপাত করছি। ১) রাজনৈতিকভাবে ইসলামের ব্যবহারের ইতিহাস — জন্ম, বিরোধ, পুনরুত্থান (১৯৪০ — ২০২৫) প্রারম্ভিক পর্যায় (১৯৪০–১৯৭১) রাজনৈতিকভাবে ইসলামের ব্যবহারের প্রসঙ্গ এলে শুরুতেই নাম নিতে হয় জামায়াতে ইসলামীর। এটিই দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ইসলামিক রাজনৈতিক দল। ১৯৪১ — মাওলানা আবুল আ’লা মওদুদীর নেতৃত্বে ভারতীয় উপমহাদেশে জামায়াতে ইসলামী…
Mufti Masud একটি গল্প বলি শুনুন। আমার একজন আত্মীয়, তিনি মোটামুটি ভালো গান গাইতেন। মফস্বলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাকে গান গাওয়ার জন্য ডাকা হতো। হ্যাঁ, তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের কোনো শিল্পী ছিলেন না। তিনি ছিলেন উপজেলা পর্যায়ের একজন শিল্পী। একদিন সেই ভদ্রলোকের সাথে আমার আলাপচারিতা হচ্ছিল। আমি তখন ছিলাম বাংলাদেশের একটি মসজিদের ইমাম। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, আমি শিক্ষাগতভাবে হাফেজ মাওলানা এবং মুফতি। হাফেজ বলা হয় সেই ব্যক্তিকে যে সম্পূর্ণ কোরআন (আরবি ভাষায় রচিত) মুখস্ত করে। আর মাওলানাকে বলা যায় ইসলামি শিক্ষার উপর মাস্টার্সের সমমান একটা ডিগ্রি। আর মুফতি বলা হয় ইসলামী শরিয়া শরিয়া আইনের একজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে। আমার…
Mufti Masud নবী মোর পুতুল ননী নবী মোর কামের খনি, নবী নাম গাবে যেজন, সেই তো হবে খুনি! নবী মোর পালের গোদা ছাগপাল করেছে পয়দা, জিহাদির কলবেতে তারি কোরানের সুরধ্বনি।। ঐ নামে খাতা খুলিয়া পীরের যায় ভূঁড়ি বাড়িয়া, ঐ নামে পাগল হইয়া মুমিনে হয় যে খুনি! বাংলা টিম ক্যান্সারুল্লা, আইএস আর হিজবুল্লা, না হইলে হারামি নবী হইতো না জঙ্গি সবি। নিদানে হুরীর হাতে ভেস্তের বাসর রাতে জোঁকের-তেল বিলাবে নবী, শানিবে জঙ্গির অঙ্গখানি।। নবী মোর পুতুল ননী।।
মুফতি মাসুদ ——————————————————————- নবী সাহেবের সেই লাড্ডুটা আজ আর নেই, আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল জিহাদি বিকেলগুলো সেই, আজ আর নেই। লালা… লাল…. লা..লা…লা…লালে লাল, লা…লালে লাল! আবুবকর অতীতে, ওমর হয়েছে গত, মহামদ পড়ে আছে কবরে, মুয়াবিয়া, আলী আর ওসমান আয়েশা নেই তাঁরা আজ কোন খবরে। মার্কিনী গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে শেষে সাগরে ডুবে গেছে ওসামা, হামাস আজ ধুঁকছে রসদের অভাবে, নিভে গেল জিহাদের দামামা। নবী সাহেবের সেই লাড্ডুটা আজ আর নেই, আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল জিহাদি বিকেলগুলো সেই, আজ আর নেই। বাটপার জাকির আজ সবচেয়ে সুখে আছে, সৌদির তেলো টাকা গায়ে তার, টুপি আর টাই দিয়ে আগাগোড়া…
Mufti Masud যুদ্ধ ও ধর্ষণঃ পাশাপাশি চলা দুই নৃশংসতা আদিকাল থেকে সন্তান হিসেবে কন্যা ছিল মা-বাবার কাছে অপাঙ্ক্তেয়। কন্যা সন্তান অপছন্দনীয় হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল যুদ্ধ। মেয়েদেরকে মনে করা হয় দুর্বল। বাংলা সাহিত্যে মেয়েদেরকে ‘অবলা’ আখ্যা দেয়া হয়েছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে মানুষ যেমন প্রকৃতির সাথে পেরে উঠেনি তেমনিভাবেই কন্যাসন্তান জন্মদান বন্ধ করার চেষ্টা করেও মানুষ তা বন্ধ করতে পারেনি। ভারতের ছোট-বড় সব হাসপাতালে একটি নোটিশ লাগানো থাকে, “গর্ভস্থ সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করা আইনত অপরাধ, এই হাসপাতালে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয় না”। কেবলমাত্র কন্যাসন্তান পেটে থাকলে বাবা-মায়েরা এবরশন করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অর্থাৎ…
Mufti Masud ১৯৯৪ সালের কথা। মাদ্রাসা ছুটি দিয়েছে, তাই গ্রামের বাড়িতে গেছি। তখন দেখতাম, গ্রামের ছেলেমেয়েরা গাছে কোন পোকা দেখলে মেরে ফেলত। ওরা বিচ্ছু দেখলে মেরে ফেলত, এমনকি কাঠবিড়ালি দেখলেও মেরে ফেলত। পাখি দেখলে অনর্থক ঢিল ছুঁড়ে মারতো। ওদের দেখাদেখি আমিও তাই শিখেছি। পাখি দেখলে ঢিল নিয়ে নিশানা প্রাকটিস করতাম। একদিন গ্রামের ঘ্যাডল দিয়ে খেলছিলাম। ঘ্যাডল দেখতে কিছুটা কচুর মতো। খাওয়া যায় না, তবে বাচ্চাদের খেলার জন্য বেশ কাজের। একটি লাল পিঁপড়া আমাকে কামড় দিলে আমি পাইকারি হারে সব পিঁপড়া মারতে লাগলাম। বন্ধু শাহীন বলল, “লাল পিঁপড়া মার, কালা পিঁপড়া মারিস না, কালা পিঁপড়া মোসলমান পিঁপড়া আর লাল পিঁপড়া হিন্দু…
এর মানে কি হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ? তাহলে হাদিসের ভাষ্যে গাজওয়ায়ে হিন্দুস্তান নেই কেন? মোহাম্মদ কি তবে হিন্দুস্তানকে হিন্দ বলেছে? তাহলে কি মোহাম্মদ দেশটার নাম জানত না? আপনি যদি বলেন গাজওয়ায়ে বাংলা, মানে বাংলার সাথে যুদ্ধ, তাহলে এটা দিয়ে আমি কি বুঝব? পূর্ব বাংলা নাকি পশ্চিম বাংলা? নাকি বাংলা ভাষা? নাকি বাংলা সংস্কৃতি? নাকি বাংলাদেশ? নাকি বাঙালি? এবার আসি অন্য আলাপে। দেশটার নাম তো ভারত, কিন্তু এর নাম হিন্দু কবে হলো? হিন্দু নামে আদৌ কোন দেশের অস্তিত্ব কোনকালে ছিল? মানে, বোঝাতে চাচ্ছি মহাভারত, রামায়ণ, বেদ কিংবা তারও বহু আগের লেখা কোন প্রাচীন বইতে (হোক সে বইয়ের লেখক ভারতীয় কিংবা অন্য কোন…
শুরু করা যাক একটি গল্প দিয়ে। ১৯৫৬ সালে ঢাকায় বেড়াতে গেলেন চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই। চীনের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো। অনুষ্ঠানে গানও পরিবেশিত হয়েছে। সবার শেষ গান গাইলেন কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন। আর গানটি ছিল “আল্লাহ মেঘ দে, পানি দে, ছায়া দেরে তুই আল্লা মেঘ দে”। গান শেষ হতেই সকলে দেখল বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে। সেদিন চৌ এন লাই বলেছিলেন: “হয়তো অনেক কিছুই আমি মনে রাখতে পারব না, কিন্তু যা আমি আজীবন মনে রাখব তা হলো- একজন শিল্পী কীভাবে গান গেয়ে আকাশ থেকে বৃষ্টি নামাতে পারেন।” (তথ্যসূত্র: সা রে গা মা বেঙ্গল) ইসলাম ধর্মে, খুব বেশি খরা…