- Home
- Blog Posts
- Live and Podcasts
- Contribute
- Study
- About & Contact
Subscribe to Updates
Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.
What's Hot
Author: murtadmasud
Mufti Masud মাদ্রাসায় ইসলামিক সঙ্গীত খুব প্রিয়তা পায়, যেহেতু ইসলামের অনুভূতি ছাড়া সেখানে কথাবার্তা, সঙ্গীত, আবৃত্তি কোনকিছুরই গ্রহণযোগ্যতা নেই। সাধারণ লোকসঙ্গীতের মধ্যে যেমন আঞ্চলিক গানের কদর আছে মাদ্রাসার ইসলামিক সঙ্গীতেও তেমনি এর কদর দেখেছি। আমাদের ক্লাসের একজনের গ্রামের বাড়ি ছিল নোয়াখালীতে। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় শেখা একটি গান পরিবেশন করে আমাদেরকে সে আমোদিত করত যে গানের প্রথম লাইন ছিল এমনঃ “বিজ্ঞানীদের মহাগুরু আংগো নবীজি”। কথায় বলে, বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলে পরিচয়। আংগো নবীজি কেমন বিজ্ঞানী ছিলেন তা বুঝতে হলে তার জীবনী পড়ার দরকার ঠিক, কিন্তু এটি সহজে বোঝার উপায় হচ্ছে নবীর অনুসারীদের বিজ্ঞানময়তা দেখা। বাংলাদেশের শতশত “মেড ইন মাদ্রাসা” হুজুরদের…
Mufti Masud বিশ্ববরেণ্য নাগরিকদের মধ্যে এক ধরনের ইসলাম-প্রীতি লক্ষ্য করা যায়। অনেকে আবার ইসলাম-প্রীতির তকমা পাওয়া থেকে বেঁচে থাকার জন্য ইসলাম নিয়ে কোন কথাই বলেন না। বরং তারা ইসলাম নিয়ে কেউ সমালোচনা করলেই তাকে বলবে, সমস্যা আসলে ওটা না, সমস্যা হচ্ছে অমুক দেশ, অমুক ইজম। আমি অবশ্য এসকল বিশিষ্টজনদের বিশ্ববরেণ্য নাগরিক না বলে বিশ্ববরেণ্য আঁতেল বলতেই বেশি পছন্দ করি। বিশ্ববরেণ্য আঁতেলদের অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যের তেল পছন্দ করে। আসলে আঁতেল এবং তেল খুব কাছাকাছি একটা বিষয়। বিশ্ববরেণ্য আঁতেলগণ পশ্চিমা দেশের সমালোচনা করেই সে দেশ থেকে পুরস্কার পায়, এবং পুরস্কার পাওয়ার পরেও সে দেশেরই সমালোচনা করে। আমি একথা বলছি না যে পশ্চিমা দেশের…
Mufti Masud ২০০১ সাল। আমি ঢাকার উত্তরার বায়তুসসালাম মাদ্রাসার ছাত্র। মাদ্রাসায় আমাদেরকে কোরআন এবং হাদিস থেকে পাঠদান করা হচ্ছিল নারীর সম্মান ও মর্যাদা সম্পর্কে। অবাধ্য স্ত্রীকে পেটানো, নারীকে সম্পত্তিতে ঠকানো ইত্যাদির মধ্যেই রয়েছে নারীর চরম ও পরম সম্মান, এটাই তখন আমি জানতাম। একজন পুরুষ চাইলেই চারটে বিয়ে করতে পারে, পুরুষ চাহিবামাত্র তার স্ত্রীকে মুখের কথায় বিদায় করতে পারে, কারণ আল্লাহ বলেছেন নারীর উপরে রয়েছে পুরুষের শ্রেষ্ঠত্ব। আল্লাহর নবী মোহাম্মদ বলেছেন নারীর বুদ্ধি অসম্পূর্ণ। আল্লাহ কোরআনে নারীকে পায়খানার সাথে তুলনা করেছেন, আল্লাহর নবী মোহাম্মদ নারীকে কুকুর ও গাধার সাথে তুলনা করেছেন। আর এ ধরনের তুলনার মধ্যেই রয়েছে নারীর জন্য সর্বোচ্চ সম্মান,…
Mufti Masud আমি এক ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশের একেকটি কওমি মাদ্রাসাকে একেকটি মিনি পাকিস্তান বলেছি। এটি এমনিতেই বলিনি, যারা কওমি মাদ্রাসায় পড়ে এবং কওমি সংশ্লিষ্ট তাদের সবার মাথার মধ্যেই পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মক্কা-মদিনা সদাসর্বদা ঘুরপাক খায়। কওমি মাদ্রাসার এই পাকিস্তান-প্রেম এবং পাকিস্তানের উর্দু ভাষার প্রেম এটি এমন এক রূঢ় বাস্তবতা যাকে আপনি অস্বীকার করতে পারেন না। এটি যেমন কওমি মাদ্রাসার আদর্শ ও ঐতিহ্যের সাথে একীভূত হয়ে গেছে একইভাবে একথাও সত্য যে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে অশিক্ষিত শ্রমিক এরা সবাই কওমি মাদ্রাসাকে মিনি পাকিস্তান হিসেবে গড়ে তুলতে এবং রেখে দিতে বদ্ধপরিকর। খোঁজ নিলে দেখবেন, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষালয় বুয়েটের অধিকাংশ…
Mufti Masud উপক্রমণিকা : বাংলাদেশের সংবাদপত্রে মাদ্রাসায় ছাত্র ধর্ষণ নিয়ে নিউজ হয়নি এমন দিন বোধহয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে। মনে হয় যেন করোনা ভাইরাস নয়, বরং ধর্ষণের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ইসলামের দুর্গ কওমি মাদ্রাসায়। আগেও কি সেখানে ধর্ষণ হতো না? হতো। আগেও কি সেখানে শিশু নির্যাতন হতো না? হতো। কেন এখন তো খবর পাওয়া যাচ্ছে, আগে কেন খবর পাওয়া যেত না এ প্রশ্ন স্বভাবতঃই আপনার মনে জাগতে পারে। আসলে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার আগে আমরা একটু মাদ্রাসা নামক জগদ্বিচ্ছিন্ন অন্ধকূপের পরিবেশ কেমন সেটি বোঝার চেষ্টা করি চলুন। পরিবেশটা বোঝার পর কেন সেখানে এত বেশি ধর্ষণ হয় সেটি বোঝা আমাদের জন্য…
Mufti Masud কবিগুরু লিখেছিলেন, “ওই যে প্রবীণ, ওই যে পরম পাকা, চক্ষুকর্ণ দুইটি ডানায় ঢাকা, ঝিমায় যেন চিত্রপটে আঁকা অন্ধকারে বন্ধ করা খাঁচায়”। আমি কবির অনুমতি ছাড়াই সময়ের প্রেক্ষিতে এর কিঞ্চিৎ পরিবর্তন সাধন করলাম – “ঐ যে পেছন ঐ যে পরম জরা, চক্ষুকর্ণ ময়লা দিয়ে ভরা, চেঁচায় যেন ষাঁড় দিয়েছে গুঁতো, চুমুই নাকি সব নষ্টের ছুতো।” এইতো সেদিন, সামান্য একটা চুমু, সেটা নিয়ে কত তোলপাড়ই না করে ফেললাম আমরা! যে সাংবাদিক চুমুর ছবি তোলার মত মানবতা-বিরোধী (?) অপরাধ করেছে তাকে পিটিয়েছে তার সুভদ্র সতীর্থরা। এই ভয়ানক অপরাধের শাস্তি স্বরূপ চাকরিচ্যুতির খড়গও ঝুলছে তার মাথায়। ভাবা যায়? একটা চুমু, একটা ছবি,…
Mufti Masud ভালোবাসি আমি যারে ……………………………………………………….. বহুকাল ধরে খুঁজেছি যারে পেয়েছি তারে আজ, মনের কথা কহিতে আমার হয় যে তবুও লাজ! ভাবে যদি সে প্রেমিকের বেশে নয়তো কোন ছল! ভালোবাসাবাসি কাছে আসাআসি দেহতত্ত্বের ফল! এত ভিড় মাঝে দিবসের সাঝে কি করে বলিব তারে কথা যত কই উতলা যে হই প্রেম শুধুই বাড়ে। ফেরারী এ মন হয় উচাটন রাখিনু তারে বাঁধি মনেরে বলি, ওরে ফুলকলি প্রেম কিরে হয় সাধি? কন্ঠ যে তার যাদুর পাহাড় হারিয়ে যাই গো সেথা কথা যত কই পুলকিত হই বিদূরিত হয় ব্যথা। জারুলের শাখে যে পাখিটি থাকে শুধানু আমি তারে, বল দেখি ভাই কি করে বুঝাই ভালোবাসি…
Mufti Masud একজন মুসলিম বোন। পড়ালেখায় ভালো। ঈমান, আকিদা ও দ্বীনদারিতায় অনবদ্য। ইসলামী ছাত্রশিবিরের রোকন হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছে সম্প্রতি। বোনটিকে একদিন বিশেষ একটি জায়গায় ডাকা হলো। ডেকেছেন দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি। টেলিফোনে বোনটিকে বলা হয়েছিল : “তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম দিন হতে চলেছে আজ। দলের কেন্দ্রীয় আমির সাহেব আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন তোমাকে দ্বীনের বিশেষ একটি খেদমত আঞ্জাম দেয়ার দায়িত্ব দিতে। তুমি জানোনা কত বড় সৌভাগ্যবতী হতে চলেছ তুমি। সৌদি আরব থেকে একজন শায়খ এসেছেন। শায়খের নামটা এখনই বলছি না। শায়খ বাঙালি, কিন্তু সৌদি আরবের ইসলামিক দাওয়াহ ও গবেষণা বিভাগের উচ্চপদে কর্মরত। আমাদের দলের তিনি প্রধান উপদেষ্টা।” দ্বীনি বোনটি আল্লাহর উপরে ভরসা…
Mufti Masud অন্য সব মুসলমানদের মত আমিও ছোটকাল থেকে জানতাম আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদের দুজন স্ত্রী ছিলেন। প্রথমজনের নাম খাদিজা, আর দ্বিতীয়জন আয়েশা। খাদিজা মারা যাওয়ার পর তিনি আয়েশা নামের একজন গুণবতী, রূপবতী, বুদ্ধিমতী নারীকে বিয়ে করেন। অর্থোডক্স মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও আমি জানতাম না, শৈশবের সেই প্রিয়নবীর অনেকগুলো (প্রায় তেরজন) স্ত্রী ছিল! তিনি যখন ৫১ বছর বয়সে বিয়ে করেন তখন তাঁর বৌ আয়েশার বয়স ছয় বছর ছিল। সম্ভবত ১৯৯৭ সালের ঘটনা সেটি, আমি এবং আমার ক্লাসমেট মিজান কোথাও ঘুরতে গিয়েছিলাম। নদীর পাড় ধরে হাঁটার সময় মিজান আমাকে বলল, ‘মাসুদ তুই কি জানোস, আমগো নবী না হযরত আয়েশারে যহন…
Mufti Masud একটি গল্প দিয়ে শুরু করা যাক : একজন লোক তার বাড়িতে একটি কুয়ো খনন করলো। সে কুয়ো থেকে তার খাবার পানি, গোসলের পানি সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পানীয় প্রয়োজন মেটাতে লাগলো। লোকটার বাড়িতে একটি কাঁচা পায়খানা ছিল। সে পায়খানার লাইনটা একটি পাইপের মাধ্যমে কুয়োর মধ্যে প্রবেশ করানো ছিল। ভদ্রলোক যতবারই কুয়ো থেকে পানি তোলে প্রতিবারই পানির মধ্যে সে মলমূত্র দেখতে পায়। আর এই পানি খেয়ে পরিবারের সবাই বারবার অসুস্থ হয়। সবসময়ই পরিবারের সবার ডায়রিয়া লেগে থাকে। ডাক্তার দেখায়, ওষুধ খায় কিন্তু তাতেও ডায়রিয়া সারে না। ভদ্রলোক কুয়োর মধ্যে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ফিটকিরি ইত্যাদি দিতে লাগল প্রচুর পরিমাণে; কিন্তু তাতেও…