Close Menu
  • Home
  • Blog Posts
    • মাদ্রাসা ও অপবিজ্ঞান
      • মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন
      • মাদ্রাসার (অপ)বিজ্ঞান
      • মাদ্রাসার নির্মাতাগণ
    • সাহিত্য
      • কবিতা
      • ছোটগল্প
      • প্রবন্ধ
    • ইসলাম ও মোহাম্মদ
      • মডারেট ও এক্সট্রিম ইসলাম
      • মানবাধি কার বনাম ‘ইসলামাধিকার’
      • মোহাম্মদ নামা
    • কোরআন ও হাদিস
      • কোরআন সংক্রান্ত
      • ফতোয়া সংক্রান্ত
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
      • হাদিস সংক্রান্ত
      • বিভিন্ন ধর্মমত
      • বিশ্বাস বনাম যুক্তি
      • বিজ্ঞান ও ধর্ম
    • নারীর স্বাধীনতা
    • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
    • শিশুর স্বাধীনতা
  • Live and Podcasts
  • Contribute
  • Study
  • About & Contact

Subscribe to Updates

Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

What's Hot

Bangladeshi woman at a Montreal summer street party. 

July 27, 2026

আইনপ্রণেতা মুহাম্মদ

July 24, 2026

কেন আমি এক্স-মুসলিম?

July 20, 2026
Facebook X (Twitter) Instagram
Tuesday, July 28
Facebook X (Twitter) Instagram
Mufti Masud
  • Home
  • Blog Posts
    • মাদ্রাসা ও অপবিজ্ঞান
      • মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন
      • মাদ্রাসার (অপ)বিজ্ঞান
      • মাদ্রাসার নির্মাতাগণ
    • সাহিত্য
      • কবিতা
      • ছোটগল্প
      • প্রবন্ধ
    • ইসলাম ও মোহাম্মদ
      • মডারেট ও এক্সট্রিম ইসলাম
      • মানবাধি কার বনাম ‘ইসলামাধিকার’
      • মোহাম্মদ নামা
    • কোরআন ও হাদিস
      • কোরআন সংক্রান্ত
      • ফতোয়া সংক্রান্ত
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
      • হাদিস সংক্রান্ত
      • বিভিন্ন ধর্মমত
      • বিশ্বাস বনাম যুক্তি
      • বিজ্ঞান ও ধর্ম
    • নারীর স্বাধীনতা
    • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
    • শিশুর স্বাধীনতা
  • Live and Podcasts
  • Contribute
  • Study
  • About & Contact
Mufti Masud
Home»সাহিত্য»প্রবন্ধ»কেন আমি এক্স-মুসলিম?
প্রবন্ধ

কেন আমি এক্স-মুসলিম?

murtadmasudBy murtadmasudJuly 20, 2026Updated:July 21, 2026No Comments8 Mins Read
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr WhatsApp Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn WhatsApp Pinterest Email

Mufti Masud

ইমাম হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল আল ফোরকান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে। আল ফোরকান ফাউন্ডেশন সৌদিভিত্তিক এনজিও সংস্থা যার কাজ ছিল সারা বাংলাদেশ জুড়ে মসজিদ এবং হিফজ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা এবং মসজিদের ইমামদেরকে সৌদি আরবের সালাফি মতাদর্শের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলা। আমি এমনিতেই একটু স্বাধীনচেতা এবং প্রগতিবাদী মানুষ হওয়ার কারণে হানাফি মাযহাবের গোঁড়ামিকে অপছন্দ করতাম। আমার কাছে মনে হতো সালাফি ইসলাম সহীহ (খাঁটি) ইসলামকে হানাফি ইসলামের তুলনায় অধিক ঔন করে। 

আমার প্রথম পোস্টিং ছিল যশোরের দয়ারামপুর গ্রামের খালিদ বিন ওয়ালিদ জামে মসজিদে। এই মসজিদের নির্মাণ থেকে শুরু করে যাবতীয় ব্যয় বহন করেছে আল ফোরকান ফাউন্ডেশন। আল ফোরকান ফাউন্ডেশনে চাকরির সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল, যেহেতু বেতন সৌদি থেকে আসছে সুতরাং কমিটির কাছে হাত পাতার দায় নেই। আর তাই, তুলনামূলক স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করা যাচ্ছে। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না, বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর মানসিক নির্যাতনের চাকরি হচ্ছে মসজিদের ইমামতি। সমাজপতিরা (মডারেট মুসলিম) ইমামদেরকে কি ভয়ংকরভাবে মানসিক নির্যাতন করে সেটি আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না! এই নির্যাতন এজন্য করে না যে, ইমামরা জঙ্গিবাদী। জঙ্গিবাদী ইমামরা বরং তুলনামূলক ভালো আছে। তাদের আয়-রোজগার তুলনামূলক ভালো হয়ে থাকে। সমাজের সবচেয়ে প্রগতিশীল লোকটাই, সমাজের সবচেয়ে সেকুলার লোকটাই ইমামকে জঙ্গিবাদী হওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে ক্রমাগত। 

খালিদ বিন ওয়ালিদ মসজিদের সাথে হিফজ মাদ্রাসাও ছিল। মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিন আমরা দুজন মিলে সেখানে বসতাম, অর্থাৎ ছাত্রদের কোরআন পাঠদান করতাম। সেখানে আমার ছাত্র ছিল রেদওয়ান। আমি জগতের যেখানেই গেছি সেখানেই আমার সবচেয়ে খাতির হয়েছে শিশুদের সাথে। শিশুদেরকে সবসময়ই আমার মনে হয় বাগানের ফুল। রেদওয়ানের ছোট্ট একটি বোন আছে। ওর নাম আনিকা। কি অদ্ভুত মিল না? আছিয়া এবং আনিকা। যদিও আছিয়ার জীবনের গল্প এবং আনিকার জীবনের গল্প সম্পূর্ণই উল্টা। চলুন গল্পের পরের অংশে যাওয়া যাক। 

আনিকার বয়স তখন পাঁচ বছর। সে গ্রামের অন্য যেকোন মানুষের চেয়ে বেশি ফর্সা। এত ফর্সা যে, গ্রামের মানুষেরা ওকে পোল্ট্রি বলে ডাকত। তিন ভাই, এক বোন। আনিকা সবার ছোট, সুতরাং ও সবার ভীষণ আদরের ছিল। আনিকার ভাই যেহেতু আমার কাছে পড়ে সুতরাং আনিকা প্রায়ই মাদ্রাসায় এসে ভাইয়ের কাছে বসে থাকত। এখনো মনে পড়ে, পাঁচ বছর বয়সের আনিকা হাফপ্যান্ট পরে, খালি গায়ে আর কখনোবা পাতলা গেঞ্জি গায়ে মাদ্রাসায় এসে তার ভাইয়ের কাছে বসে আছে। আমি দেখলাম, আনিকা যদি ওর ভাইয়ের কাছে বসে থাকে তাহলে ওর ভাইয়ের পড়ায় ডিস্টার্ব হবে। আনিকাকে আমি আমার কাছেই বসিয়ে রাখতাম। প্রায় প্রতিদিনই লোকজন তাদের ইমাম সাহেবের সাথে আনিকাকে দেখতে পেত। বাজারে, ঘাটে, দোকানে যেখানে যাই তার অনেকটা সময়ই আনিকা আমার কাছে থাকত। ইমাম সাহেবের খাবার আসত মসজিদের মহল্লা থেকে। বিভিন্ন বাড়ি থেকে বাটিতে করে ইমাম এবং মুয়াজ্জিন সাহেবের জন্য খাবার নিয়ে আসা হতো। মাসে একদিন হুজুরদের (ইমাম এবং মুয়াজ্জিন) খাওয়াচ্ছে সুতরাং খাবার খুব ভালোই আসত। তবে সবচেয়ে ভালো খাবার আসত রেদওয়ান এবং আনিকাদের বাসা থেকে। 

আমার মসজিদের সাথেই ছিল একটি আলিয়া মাদ্রাসা‌। এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পীর মরহুম ইউসুফ সাহেব। মরহুম আব্দুর রহিম পীর এবং মরহুম ইউসুফ পীর যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় অনেকগুলি মাদ্রাসা, স্কুল, মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই পীর বংশেরই সন্তান রেদওয়ান এবং আনিকা। ওরা বদর উদ্দিন পীর সাহেবের নাতি এবং নাতনি। আনিকা উচ্ছল এবং প্রাণবন্ত এক মেয়ে ছিল। যেমনি চেহারা সুন্দর তেমনি ছিল তার বাকপটুতা। সরল মনে সরল ভাষায় এবং কিছুটা শিশুসুলভ উচ্চারণের যে বাংলা সে বলত সেটি শুনলে যে কারোরই ভালো লাগবে। এমনিতেই শিশুদের নিজস্ব যে উচ্চারণরীতি সেটি বরাবরই মোহাম্মদের মতো ধর্ষক ছাড়া বাকি সবারই ভালো লাগে। 

একদিন আনিকাদের বাসায় আমার দাওয়াত ছিল। গেলাম। আনিকার বাবা মাওলানা রফিক উদ্দিন পার্শ্ববর্তী আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। তাকে কখনো ডাকতাম রফিক হুজুর, কখনো বলতাম রফিক ভাই। সেদিন রফিক ভাইয়ের বাসায় খেতে বসে রফিক ভাইয়ের স্ত্রী তথা ভাবির সাথে আমার অনেকক্ষণ আলাপ হলো। তিনি পর্দার আড়াল থেকেই কথা বললেন। আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হুজুর, বিয়ে-শাদি কি আমাদের এদিকে করবেন?” আমি বললাম, যোগ্য পাত্রী পেলে করব ইনশাআল্লাহ। তিনি বললেন, আমাদের পীর বংশে করবেন? আমি বললাম, আমার কোন আপত্তি নেই। 

কিছুদিন পরের ঘটনা। আনিকার বড়ভাই তরেক আব্দুল্লাহ ফর্সা চেহারার একটা শিশুর সাথে মাদ্রাসার বারান্দায় খেলছে। শিশুটাকে সুরসুরি দিচ্ছে আর শিশুটি জোরে জোরে হাসছে। আমি রুম থেকে বেরিয়ে এসে বললাম, এই কিউট বাবুটা তোমার কি হয়? ও বলল, আমার খালাত ভাই। আমি ফান করেই বললাম, ওর বোন আছে থাকলে আমার সাথে বিয়ে দিয়ে দাও। তরেক হাসতে হাসতে উত্তর দিল, “খাইয়া-দাইয়া কাম নাই তো, বরিশাইল্লার সাথে আমার বোনের বিয়ে দেবো নাকি?” 

আরো কিছুদিন পরের ঘটনা। আনিকা মাদ্রাসায় এসে আমাকে বলল, “এ থোন, আব্বা তোলে ডাকতেথে”। ও যা বলেছে তার বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় – এই শোন, আব্বা তোকে ডাকছে। ‌ শিশু আনিকা শুধু আমাকেই না, ওর মা, বাবা, ভাইয়েরা, পাড়া-প্রতিবেশী সবাইকেই তুই তুই করে ডাকত। রফিক ভাই সাধারণত এভাবে আমাকে ডাকেন না, কিন্তু আজ কি হল? মনে হলো জরুরি কিছুই হবে। আমার মসজিদ আর রফিক ভাইয়ের আলিয়া মাদ্রাসার মাঝে একটি মাঠ রয়েছে। এই মাঠে মানুষজন খেলে। সুতরাং আমার মাদ্রাসা (মাদ্রাসা এবং মসজিদ পাশাপাশি) থেকে বেরিয়ে আলিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত যেতে সময় একমিনিট লাগে বা এক মিনিটেরও কম। আলিয়া মাদ্রাসার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রফিক ভাই। আমাকে দেখেই বললেন, হুজুর মিয়া ভাই (রফিক হুজুরের বড় ভাই) জরুরি ভিত্তিতে আপনাকে স্মরণ করেছেন। একটু যান। আমার মসজিদ থেকে রফিক ভাই এবং মঈন ভাইয়ের বাড়ি খুব বেশি দূরে না। মিনিট দুয়েক হাঁটলেই পৌঁছে যাওয়া যায়। 

মঈন ভাই আমাকে বললেন, “হুজুর বিয়ে করবেন নাকি? পাত্রী আছে – আমার ভাগ্নি”। আমি জোরে হেসে দিলাম আর বললাম, এভাবে কেউ বলে? পুরুষ যখন হয়েছি তখন বিয়ে তো করতেই হবে। আমার পরনে একটা আকাশী রঙের জোব্বা এবং জোব্বার নিচে লুঙ্গি। মাথায় টুপি আর পকেটে ছিল একটা তসবিহ এবং টয়লেট পেপার। মানিব্যাগও সাথে ছিল না। হাতে ছিল ফিলিপসের একটা বাটন ফোন। পাত্রী দেখানোর উদ্দেশ্যে না, এমনিতেই আনিকার মায়ের কাছে তার বোন বেড়াতে এসেছেন। বোনের মেয়েও সাথে আছে। হঠাৎই আনিকার মা এবং মঈন ভাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, হুজুরকে পাত্রী দেখাবেন। তারা দুজনই মাসুদ হুজুরকে খুবই পছন্দ করেন। 

যেই কথা সেই কাজ। খুবই অপ্রস্তুত অবস্থায় পাত্রী দেখলাম। পকেটে মানিব্যাগটা পর্যন্ত নেই। পাত্রী খুবই আড়ষ্ট হয়ে আছে। সে নিজে থেকে কোন কথা তো বলছেই না, আমি কথা জিজ্ঞাসা করলেও খুবই খুবই আস্তে উত্তর দিচ্ছে। আর কখনোবা লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে এবং চুপচাপ থাকছে। মাদ্রাসায় পড়ার কারণে মাদ্রাসামনস্কতা কিছুটা হলেও তখনও মাসুদ হুজুরের দিলের মধ্যে রয়েছে, সুতরাং স্বল্পবয়সী লাজুক মেয়ে হুজুরের পছন্দ। 

হুজুরের বিয়ের সানাই বেজেছে। আত্মীয়-স্বজন সহযোগে আর কিছু মুসল্লিদের সাথে নিয়ে বিয়ের উদ্দেশ্যে গেলাম শ্বশুরালয়ে। বিয়ে পড়ানো যখন হয়ে গেল তখন আনিকার ভাইয়েরা আমাকে দুলাভাই ডাকা শুরু করল। আনিকা খুবই অবাক হয়ে গেল দুলাভাই ডাকা দেখে। একপর্যায়ে আনিকা বলল, “এ আমি সবাইরে কইয়া দেবো, ওরা হুজুররে দুলাভাই ডাকতেছে!” আনিকার বয়স তখন ছয়। উচ্চারণ আগের চেয়ে একটু শুদ্ধ হয়েছে। আগে ছিল ডাকতেথে, কিন্তু এখন হয়েছে ডাকতেছে। 

আমি খুব ঘুমকাতুরে মানুষ। সন্ধ্যা হয়ে এলেই ঘুমের কারণে হাই তুলতে থাকি। কিন্তু আজকের রাতটি ছিল আমার জীবনের অন্যতম নির্ঘুম রাত। আছিয়াকে ধর্ষণ করেছে তার দুলাভাই এবং দুলাভাইয়ের বাবা। আমিও তো একজন দুলাভাই। আমি রেদওয়ান এবং আনিকার দুলাভাই। সেই ২০০৫ এবং ২০০৬ সালের কথা, ছোট্ট শিশু আনিকা আমার সাথে থাকল, আমি তাকে নিয়ে ঘুরলাম, কই আমার দ্বারা তো কোন মোহাম্মদী কর্ম সংঘটিত হয়নি! বরং শিশুদের প্রতি আমার ভালোবাসা দেখে গ্রামের মানুষেরা মুগ্ধ হয়েছিল। মুগ্ধ হয়েছিল আনিকার মা-বাবাও। এজন্যই আনিকার মা তার আপন বোনের মেয়ের সাথে আমার বিয়ের ঘটকালি করলেন। 

সেই আনিকা এখন নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, বোরকা পরে। ওর বিয়ে হয়েছে এক হুজুরের সাথে। বড় হওয়ার পরে আনিকাকে আমি আর দেখিনি, কিন্তু আনিকার সেই দুষ্টু শিশুকালের দুষ্ট চেহারাটা আমার স্মৃতিপটে অমর হয়ে রয়েছে। হুজুরের মেয়ে ঠিক আছে, কিন্তু তার জীবন ছিল উচ্ছল। সবাইকে তুই তুই করে ডাকত। রফিক ভাই হয়ে গেলেন আমার খালু শ্বশুর, আর আনিকার মা হয়ে গেলেন আমার খালা শাশুড়ি। আজকের দিন পর্যন্ত আমার খালু শ্বশুর, খালা শাশুড়ি কিংবা আমার মুসল্লি কিংবা আমার শ্বশুর-শাশুড়ি কিংবা আমার শালাবাবুরা কেউই আমার বিরুদ্ধে একটা বাক্য উচ্চারণ করতে রাজি হবে না। আপনারা জোরজবরদস্তি করেও তাদের মুখ থেকে আমার বিরুদ্ধে কোন শব্দ বের করতে পারবেন না। হ্যাঁ, তবে আমার ইসলামে অবিশ্বাস নিয়ে তাদের মুখ থেকে আক্ষেপ বের করতে পারবেন, আফসোস বের করতে পারবেন, দোয়া বের করতে পারবেন। 

মানুষ মুসলমান হোক কিংবা নাস্তিক হোক, মানুষ সত্যের কাছে দায়বদ্ধ। আপনি যশোরের বাঘারপাড়ার দয়রামপুর গ্রামে যেতে পারেন। স্থানীয় পীর বংশ তো বটেই, অন্যান্য সাধারণ মানুষদের থেকেও মুফতি মাসুদের সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন। অবশ্য বিয়ের কয়েক মাস পর আমি আমার চাকরির স্থান পরিবর্তন করি করে ফেলেছিলাম কারণ ঢাকায় ঢাকার একটি মসজিদে আমার পোস্টিং হয়েছিল। আমিও পোস্টিং চেয়েছিলাম। হুজুর ডাক শুনতে অভ্যস্ত হওয়ার পর দুলাভাই, জামাই ইত্যাদি ডাক শুনতে তখন আর আর ভালো লাগছিল না। 

পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষদের মধ্যে তিনটি জন্তু ছাড়া কেউই আমার চরিত্র নিয়ে কেউ কোনদিন কিছু বলেনি। ওই তিনটি জন্তু ছাড়া কেউই আমাকে লম্পট, মদখোর, গাঁজাখোর, বাটপার, রুক্ষভাষী, মোল্লা ইত্যাদি বলেনি। এতগুলো কথা কেন বললাম? বললাম এজন্য যে, ইসলাম যার চরিত্র ধ্বংস করে দিয়েছে তারা তারা নাস্তিকতা সম্ভব না। তার দ্বারা মুক্তচিন্তা করা সম্ভব না। তার দ্বারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, সত্যকে দৃপ্তকণ্ঠে উচ্চারণ করা সম্ভব না। এজন্যই কেউ মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার পর সমাজের মডারেট মুসলিমদের এবং হুজুরদের প্রধান টার্গেট থাকে ব্যক্তিকে চরিত্রহীন বানিয়ে ফেলা। এমন টার্গেট আমার ব্যাপারেও ছিল কিন্তু আমি চরিত্রহীন বা ধর্ষক হয়নি। মাদ্রাসায় পড়ার পরেও মডারেট মুসলিম এবং মাদ্রাসার হুজুরদের দ্বারা আমাদেরকে ধর্ষক বানানোর হাজার রকম চেষ্টা করা সত্ত্বেও আমি যে ধর্ষক হইনি এর জন্য লাগে প্রচন্ড মানসিক শক্তি। সেই মানসিক শক্তি আজও আমার আছে আজও আমি স্রোতে গা ভাসিয়ে দেই না। আজো আমি আমার নীতিতে অবিচল কিন্তু হ্যাঁ অন্যদের পার্সোনাল বিষয়ে নাক গলানো আমার অভ্যাসের মধ্যে নেই। আমি যা করি না তাই অন্যদের জন্য পছন্দ করাকেই আমি আমার মুক্তচিন্তা মনে করি। সবার চিন্তা আমার মত হতে হবে সবার রুচি আমার মত হতে হবে সবার খাদ্যাভ্যাস আমার মত হতে হবে সবাই আমার মতো একগামী হতে হবে এমন ফতোয়া আমি কখনোই জারি করি না। আর এজন্যই আমি মুক্তমনা। 

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr WhatsApp Email
murtadmasud
  • Website

Related Posts

চুমু হোক সংস্কৃতি, চুমু হোক প্রতিবাদ 

July 20, 2026

ইসলামের ভিকটিম কে?

July 20, 2026
Add A Comment
Leave A Reply Cancel Reply

Don't Miss

Bangladeshi woman at a Montreal summer street party. 

By murtadmasudJuly 27, 2026

Here is a rewritten version of your text, expanded to feature more eloquent, flowing sentences…

আইনপ্রণেতা মুহাম্মদ

July 24, 2026

কেন আমি এক্স-মুসলিম?

July 20, 2026

কওমি (খারেজি) মাদ্রাসা কী?

July 20, 2026
Stay In Touch
  • Facebook
  • Twitter
  • Pinterest
  • Instagram
  • YouTube
  • Vimeo
Our Picks

Bangladeshi woman at a Montreal summer street party. 

July 27, 2026

আইনপ্রণেতা মুহাম্মদ

July 24, 2026

কেন আমি এক্স-মুসলিম?

July 20, 2026

কওমি (খারেজি) মাদ্রাসা কী?

July 20, 2026

Subscribe to Updates

Get the latest creative news from SmartMag about art & design.

Demo
SOCIAL MEDIA
Facebook X (Twitter) YouTube
We work to protect humanity
©2026 Mufti Abdullah Al Masud
  • Home
  • Blog Posts
    • মাদ্রাসা ও অপবিজ্ঞান
      • মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন
      • মাদ্রাসার (অপ)বিজ্ঞান
      • মাদ্রাসার নির্মাতাগণ
    • সাহিত্য
      • কবিতা
      • ছোটগল্প
      • প্রবন্ধ
    • ইসলাম ও মোহাম্মদ
      • মডারেট ও এক্সট্রিম ইসলাম
      • মানবাধি কার বনাম ‘ইসলামাধিকার’
      • মোহাম্মদ নামা
    • কোরআন ও হাদিস
      • কোরআন সংক্রান্ত
      • ফতোয়া সংক্রান্ত
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
      • হাদিস সংক্রান্ত
      • বিভিন্ন ধর্মমত
      • বিশ্বাস বনাম যুক্তি
      • বিজ্ঞান ও ধর্ম
    • নারীর স্বাধীনতা
    • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
    • শিশুর স্বাধীনতা
  • Live and Podcasts
  • Contribute
  • Study
  • About & Contact

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.